ট্রায়াল ভার্সন (Trial Version) হল কোন সফটওয়্যারের (Software) এর এমন একটি সংস্করণ, যেটি ব্যবহারকারী সীমিতভাবে ব্যবহার করতে পারেন। যেমন কিছু সফটওয়্যারের ট্রায়াল ভার্সন ইনস্টল করার পর 10 দিন, 15 দিন বা 30 দিন পর্যন্ত তা ব্যবহার করা যায়। আবার কিছু সফটওয়্যারের ট্রায়াল ভার্সন করার পর 10 বার, 15 বার বা 30 বার পর্যন্ত তা ব্যবহার করা যায়। আবার এমন কিছু সফটওয়্যার আছে, যাদের ট্রায়াল ভার্সনে উভয় প্রকার সীমাবদ্ধতাই বিদ্যমান।
সীমাবদ্ধতা যেরকমই হোক না কেন, মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার পর এসব সফটওয়্যারের আর কোন রকম কার্যকারীতা থাকে না। এরকম অবস্থায় কোন সফটওয়্যার পুনরায় ব্যবহার করতে চাইলে হয়তো রেজিস্ট্রেশন কী (Registration Key) প্রবেশ করিয়ে একে সক্রিয় (Reactive) করতে হয়, অথবা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান থেকে এর ফুল ভার্সনটি ক্রয় করে তা ইনস্টল (Install) করতে হয়, আর নয়তো উইন্ডোজ (Windows) রি-ইনস্টল করে ঐ ট্রায়াল ভার্সনটিই পুনরায় সীমিত সময়ের জন্য ব্যবহার করতে হয়। কিন্তু এই তিন পদ্ধতি ছাড়াও আরেকটি পদ্ধতি আছে, যার মাধ্যমে খুব সহজেই এসব ট্রায়াল ভার্সনকে প্রায় ফুল ভার্সনের মত ব্যবহার করা যায়। তবে এর জন্য আপনার কম্পিউটারের অন্তত একটি হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ (Hard Disk Drive) (যে ড্রাইভে আপনি সফটওয়্যারটি ইনস্টল করবেন – সাধারণত C:) ফ্রিজ (Freeze) করা থাকতে হবে। http://www.faronics.com এই ওয়েব সাইট থেকে প্রাপ্ত ডীপ ফ্রিজ (Deep Freeze) সফটওয়্যারটি দিয়ে আপনি আপনার কম্পিউটারকে ফ্রিজ করতে পারেন।
আপনার মনে এই প্রশ্ন জাগা খুব স্বাভাবিক যে, ডীপ ফ্রিজ কি এবং এটি কিভাবে কাজ করে? ডীপ ফ্রিজ হচ্ছে এমন একটি সফটওয়্যার, যা কম্পিউটারকে অনাকাংখিত পরিবর্তনের হাত থেকে রক্ষা করে। ব্যাপারটা এরকম যে, আপনি কোন একটি হার্ড ডিস্ক ড্রাইভকে ফ্রিজ করার সময় এতে যেসকল ফাইল-ফোল্ডার (File-Folder) থাকবে, বা এতে যেসকল সফটওয়্যার ইনস্টল করা থাকবে, একবার ফ্রিজ করার পর আপনি সেগুলো যতই পরিবর্তন করুন না কেন, কম্পিউটার রিস্টার্ট (Restart) করা মাত্রই সব আবার আগের মত হয়ে যাবে। অন্যান্য দেশের কথা জানিনা, লিবিয়াতে দেখেছি এখানকার প্রায় প্রতিটি সাইবার ক্যাফের (Cyber Cafe) কম্পিউটারগুলোতে ডীপ ফ্রিজ ইনস্টল করা থাকে। এর ফলে সারাদিন যত ব্যবহারকারী যত রকম সফটওয়্যার এতে ইনস্টল-আনইনস্টল করে, যত ফাইল-ফোল্ডার কাট-কপি-পেস্ট (Cut-Copy-Paste) করে, দিন শেষে কম্পিউটার রিস্টার্ট করার সাথে সাথে সব ফ্রেশ হয়ে ডীপ ফ্রিজ ইনস্টল করার আগের অবস্থায় ফিরে যায়।
কাজেই আপনি যেসকল সফটওয়্যারের ট্রায়াল ভার্সনকে ফুল ভার্সনের মত ব্যবহার করতে চান, সেগুলো ইনস্টল করার আগেই ডীপ ফ্রিজ ব্যবহার করে আপনার কম্পিউটারের C: ড্রাইভটিকে (রুট ড্রাইভ) ফ্রিজ করে নিন। এরপর যখন খুশি ট্রায়াল ভার্সন ইনস্টল করে তা ব্যবহার করুন। 10 দিন, 15 দিন বা 30 দিন নয়, 10 বছর, 15 বছর বা 30 বছর পেরিয়ে গেলেও এর মেয়াদ ফুরাবে না। কারণ রিস্টার্ট করার সাথে সাথেই উইন্ডোজ ভুলে ভুলে যাবে যে, আপনি ঐ ট্রায়াল ভার্সনটি ইনস্টল করেছিলেন। ফলে প্রতিবারই উইন্ডোজ ঐ ট্রায়াল ভার্সনটিকে একটি নতুন ইনস্টল করা সফটওয়্যার হিসেবে গণ্য করবে। এ পদ্ধতিতে সমস্যা একটাই – সেটা হল প্রতিবার প্রয়োজনের সময় আপনাকে নতুন করে ট্রায়াল ভার্সনগুলো ইনস্টল করতে হবে। কাজেই যে সব সফটওয়্যার বেশ কয়েকদিন পরপর ব্যবহার করার প্রয়োজন হয়, তাদের ক্ষেত্রে এই পদ্ধতিটি অত্যন্ত কার্যকর।
ডীপ ফ্রিজ সফটওয়্যারটা ইনস্টল এবং ব্যবহার করা খুবই সহজ। এর নতুন সংস্করণগুলোতে কিছু জটিলতা থাকলেও পুরানো সংস্করণগুলো খুবই সিম্পল। এখানে আমি ডীপ ফ্রিজ 5.70 ভার্সনটা আপনাদের জন্য আপলোড করে দিলাম। এর সাইজ মাত্র 2.35 মেগাবাইট। এটি ইনস্টল করার সময় আপনাকে ঠিক করে দিতে হবে আপনি কোন কোন ড্রাইভ ফ্রিজ করে রাখতে চান। সেক্ষেত্রে আপনাকে শুধু আপনার রুট ড্রাইভের (যে ড্রাইভে আপনি সফটওয়্যারটি ইনস্টল করবেন – সাধারণত C:) আইকনের পাশের চেকবক্সে টিকমার্ক দিতে হবে। আপনি যদি ভুলক্রমে D: বা E: এর পাশে টিকমার্ক দেন, তাহলে ঐ ড্রাইভগুলোও ফ্রিজ হয়ে যাবে এবং এরফলে আপনি ঐ সব ড্রাইভে কোন কিছু পরিবর্তন করতে পারবেন না।
ডীপ ফ্রিজ সফটওয়্যারটিকে আপনি ইচ্ছে করলে বিকল্প অ্যান্টিভাইরাস (Anti-virus) হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন এই লিংকে।
আপডেট : যারা ইস্নিপস থেকে ডীপ ফ্রিজ সফটওয়্যারটা ডাউনলোড করতে সমস্যায় পড়ছেন, তাদের জন্য এটাকে নতুন করে আপলোড করলাম। ডাউনলোড করুন এখানের ডাইরেক্ট লিংক থেকে।
আপডেট : যারা ডীপ ফ্রিজ ব্যবহার করতে আগ্রহী কিন্তু আগে কখনও ব্যবহার করেন নি, তারা সাবধানতা হিসেবে প্রথমে নিম্নের লিংক থেকে এর অফিসিয়াল ম্যানুয়ালটা পড়ে নিতে পারেন – http://www.faronics.com/doc/DF6Std_Manual.pdf
লিংকটা দেওয়ার জন্য আমাদের প্রযুক্তি ফোরামের তানিম ভাইকে ধন্যবাদ।
আপডেট : কিভাবে ডীপফ্রিজ ডিজ্যাবল করবেন?
ডীপফ্রিজ ডিজ্যাবল করার জন্য টাস্কবারে ঘড়ির পাশে অবস্থিত এর আইকনের উপর শিফট চেপে ধরে ডাবল ক্লিক করুন অথবা CTRL+ALT+SHIFT+F6 প্রেস করুন। যে ডায়ালগ বক্স আসবে তাতে পাসওয়ার্ড দিয়ে ভেতরে প্রবেশ করুন। যে তিনটা অপশন প্রদর্শিত হবে, সেখান থেকে তৃতীয়টা অর্থাত্ Boot Thawed সিলেক্ট করুন। এবার কম্পিউটার রিস্টার্ট করলেই দেখবেন ডীপফ্রিজ নিষ্ক্রিয় হয়ে গেছে।
আপডেট : কিভাবে ডীপফ্রিজ আনইনস্টল করবেন?
ডীপফ্রিজ আনইনস্টল করার কোন প্রয়োজন আছে বলে আমার মনে হয় না। এটা ডিজ্যাবল করে রাখলেই হয়। তবুও বিভিন্ন ফোরামে অনেকে এটার আনইনস্টলেশন সম্পর্কে জানতে চেয়েছেন।
প্রথমেই উপরে বর্ণিত নিয়ম অনুযায়ী ডীপফ্রিজকে ডিজ্যাবল করে নিন। এবার যে ইনস্টলেশন ফাইল দিয়ে এটা ইনস্টল করেছিলেন, সেটা চালু করুন। প্রদর্শিত অপশনগুলো থেকে Uninstall সিলেক্ট করুন।
আনইনস্টলেশন পদ্ধতিটি খুঁজে বের করার জন্য আমাদের প্রযুক্তি ফোরামের উন্মাতাল তারুণ্য ভাইকে ধন্যবাদ।
23 জুলাই, 2008 at 3:27 pm
But dear, I read ur article fully, heading ar satha amnar lakhar to kono mil palam na Because Trial Version a softwear onek subadi paina, Deep Freeze install kora amar lov ki holo,I have Ulead video studio 11 plus trial verson Deep Freeze install korar por amit to ful Version ar moto subada pabona,Note the point plz: i saw in u.a.e nearly 40 to 50% cyber cafa used Deep Freeze.So dear You cant tell like that. But if we can convert trial version to full version amar kub basi upokar hoto, Vul hola map koran,Brother Thanks
24 জুলাই, 2008 at 12:15 am
ধন্যবাদ Md.Mamun। এখানে দুটো ব্যাপার আছে – একটা হচ্ছে ট্রায়াল ভার্সন এবং অন্যটা ডেমো ভার্সন। আমি যতদূর জানি, ট্রায়াল ভার্সনে শুধু সময় সংক্রান্ত সীমাবদ্ধতা থাকে অর্থাত্ সেটা সীমিত সংখ্যক বার ব্যবহার করা যায়। অন্যদিকে ডেমো ভার্সনে সফটওয়্যারের সামান্য কিছু সুযোগ-সুবিধা বিশিষ্ট একটা নমুনা দেওয়া হয় মাত্র।
আপনি সম্ভবত ডেমো ভার্সনের কথা বলছেন। কিন্তু আমি বলেছি ট্রায়াল ভার্সনের কথা। ট্রায়াল ভার্সনের সীমিত সংখ্যক বার ব্যবহার করার প্রতিবন্ধকতা কিভাবে দূর করা যায়, আমি সেটা বলতে চেয়েছি এবং আমার মনে হয় না এতে শিরোণামের সাথে প্রবন্ধের কোন অমিল আছে। আর আমার ধারণা আপনি যা চাচ্ছেন, অর্থাত্ ডোমো ভার্সনকে ফুল ভার্সনে রূপান্তর করা, সেটা কোনভাবেই সম্ভব হবে না।
24 জুলাই, 2008 at 12:25 am
আপডেট : যারা ডীপ ফ্রিজ ব্যবহার করতে আগ্রহী কিন্তু আগে কখনও ব্যবহার করেন নি, তারা সাবধানতা হিসেবে প্রথমে নিম্নের লিংক থেকে এর অফিসিয়াল ম্যানুয়ালটা পড়ে নিতে পারেন – http://www.faronics.com/doc/DF6Std_Manual.pdf
লিংকটা দেওয়ার জন্য আমাদের প্রযুক্তি ফোরামের তানিম ভাইকে ধন্যবাদ।
25 জুলাই, 2008 at 2:36 am
ধন্যবাদ ভাইয়া। আপনার লিখিত ডীপ ফ্রিজ সফটওয়ারটি ভাল কাজ করছে। পাসওয়ার্ড থাকাই অন্য কেউ সফটওয়ারটি অফ করে কোন পরিবর্তন করতে পারবে না।
29 জুলাই, 2008 at 5:37 pm
ত্বোহাভাই deep freeze নিজেই একটা trialware । তবে কিভাবে কাজ করবে।
আপনার e-snip লিংক থেকেও download নিচ্ছে না।
কি করব জানাবেন।
29 জুলাই, 2008 at 8:39 pm
পুলক ভাই, আমার আপলোড করা ডীপ ফ্রিজটা ট্রায়াল ভার্স না, ফুল ভার্সন। ওটা তো ডাউনলোড হচ্ছে, আমি এই মাত্র ট্রাই করে দেখলাম। উপরোক্ত লিংকে গেলে আপনি Download TohaDeepFreeze.zip নামে যে ফাইলটা দেখতে পাবেন, তার উপর ক্লিক করুন। তাহলেই হবে। রাইটক্লিক করে ডাউনলোড উইথ অমুক/তমুক দিলে হবে না।
অথবা সরাসরি http://www.esnips.com/doc/52df10ca-9cb7-4cd8-ab14-75f2ae5b72e6/TohaDeepFreeze লিংকটা আপনার ব্রাউজারে চালান। এটাকেও রাইটক্লিক করলে চলবে না।
29 জুলাই, 2008 at 8:55 pm
আপডেট : কিভাবে ডীপফ্রিজ ডিজ্যাবল করবেন?
ডীপফ্রিজ ডিজ্যাবল করার জন্য টাস্কবারে ঘড়ির পাশে অবস্থিত এর আইকনের উপর শিফট চেপে ধরে ডাবল ক্লিক করুন অথবা CTRL+ALT+SHIFT+F6 প্রেস করুন। যে ডায়ালগ বক্স আসবে তাতে পাসওয়ার্ড দিয়ে ভেতরে প্রবেশ করুন। যে তিনটা অপশন প্রদর্শিত হবে, সেখান থেকে তৃতীয়টা অর্থাত্ Boot Thawed সিলেক্ট করুন। এবার কম্পিউটার রিস্টার্ট করলেই দেখবেন ডীপফ্রিজ নিষ্ক্রিয় হয়ে গেছে।
29 জুলাই, 2008 at 9:05 pm
আপডেট : কিভাবে ডীপফ্রিজ আনইনস্টল করবেন?
ডীপফ্রিজ আনইনস্টল করার কোন প্রয়োজন আছে বলে আমার মনে হয় না। এটা ডিজ্যাবল করে রাখলেই হয়। তবুও বিভিন্ন ফোরামে অনেকে এটার আনইনস্টলেশন সম্পর্কে জানতে চেয়েছেন।
প্রথমেই উপরে বর্ণিত নিয়ম অনুযায়ী ডীপফ্রিজকে ডিজ্যাবল করে নিন। এবার যে ইনস্টলেশন ফাইল দিয়ে এটা ইনস্টল করেছিলেন, সেটা চালু করুন। প্রদর্শিত অপশনগুলো থেকে Uninstall সিলেক্ট করুন।
আনইনস্টলেশন পদ্ধতিটি খুঁজে বের করার জন্য আমাদের প্রযুক্তি ফোরামের উন্মাতাল তারুণ্য ভাইকে ধন্যবাদ।
4 অগাষ্ট, 2008 at 12:43 pm
ত্বোহা ভাই,
Download TohaDeepFreeze.zip ফাইলটা LEFT CLICK করলে
http://www.esnips.com/NewAccountAction.ns?action=init&v=exce এই LINK এ
চলে যাচ্ছে। DOWNLOAD হচ্ছে না।
কি করব জানাবেন।
আমি E-SNIPS.COM এ নতুন ACCOUNT খুলেছি।
6 অগাষ্ট, 2008 at 12:29 am
ত্বোহা ভাই,
Download TohaDeepFreeze.zip ফাইলটা LEFT CLICK করলে
http://www.esnips.com/NewAccountAction.ns?action=init&v=exce এই LINK এ
চলে যাচ্ছে। DOWNLOAD হচ্ছে না।
কি করব জানাবেন।
আমি E-SNIPS.COM এ নতুন ACCOUNT খুলেছি।
6 অগাষ্ট, 2008 at 2:02 am
পুলক ভাই, আপনার সমস্যাটা কেন হচ্ছে আমি ঠিক বুঝতে পারছি না। আমি এখন আবার চেষ্টা করে দেখলাম এটা ঠিকই কাজ করছে। যাইহোক, আমি দু’এক দিনের মধ্যেই এটাকে অন্য কোথাও আপলোড করে এখানে লিংক দিয়ে দিব।
7 অগাষ্ট, 2008 at 4:47 pm
ত্বোহা ভাই, DEEP FREEZ.ZIP FILE টা DOWNLOAD করেছি। INSTALL করার পর RESTART করলে WINDOWS ERROR দিচ্ছে – COULD NOT LOAD OR RUN (FILE NAME ASCII CHARACTER) SPECIFIED IN THE REGISTRY. MAKE SURE THE FILE EXIST ON YOUR COMPUTER OR REMOVE THE REFERENCE TO IT IN THE REGISTRY.
এখন TASKBAR ICON টা আছে কিন্তু CLICK করলে কিছু দেখাচ্ছে না।
কি করব জানাবেন।
8 অগাষ্ট, 2008 at 12:16 am
পুলক ভাই, আপনি বরং আপনার সমস্যাটার একটা স্ক্রীণশট দিন। কোন ইমেজ আপলোডিং সাইট যেমন http://www.imageshack.us এ ছবিটা আপলোড করে এখানে লিংকটা দিন। না দেখা পর্যন্ত সমস্যাটা ঠিক বুঝতে পারছি না।
আর আপনি কি টাস্কবারের পাশের ডীপফ্রিজের আইকনের কথা বলছেন? ওটাতে শিফট চেপে ধরে ডাবল ক্লিক করতে হবে। এতে কাজ না হলে CTRL+ALT+SHIFT+F6 প্রেস করে দেখুন।
9 অগাষ্ট, 2008 at 1:01 pm
ত্বোহা ভাই কাজ হয়েছে SHIFT ধরে CLICK করলে কাজ হয়।
আপনাকে SOFTWARE টা SHARE করার জন্য ধন্যবাদ।
27 অগাষ্ট, 2008 at 2:24 am
ত্বোহা ভাই deep freeze দিয়ে আমার G drive freeze করেছি। Trialware software গুলো এখানে install করলেও trial period over হয়ে যাচ্ছে। software গুলো ব্যবহার করা যাচ্ছে না।
আমি software গুলি net থেকে প্রথমে D drive এ save করি। সেখান থেকে G drive এ install করি।
কেন এমন হচ্ছে জানাবেন।
27 অগাষ্ট, 2008 at 2:40 am
এরকম হওয়ার কারণ হচ্ছে আপনি যে ড্রাইভে সফটওয়্যারগুলো ইনস্টল করছেন সেটা আর আপনার রুট ড্রাইভ ভিন্ন। অর্থাত্ আপনার উইন্ডোজ সম্ভবত G ছাড়া অন্য কোন ড্রাইভে (C হওয়াই স্বাভাবিক) ইনস্টল করা আছে।
এখন আপনি কোন সফটওয়্যার G ড্রাইভে ইনস্টল করলে তার সবগুলো ফাইল G ড্রাইভেই ইনস্টল হবে ঠিকই; কিন্তু তার ইনস্টল সংক্রান্ত মূল তথ্যগুলো রেজিস্ট্রিতে জমা হবে। আর রেজিস্ট্রি তো উইন্ডোজের রুট ড্রাইভেই থাকে।
কাজেই আপনাকে রুট ড্রাইভটাই ফ্রিজ করতে হবে। অন্য ড্রাইভ ফ্রিজ করলে তেমন কোন লাভ নেই।
28 অগাষ্ট, 2008 at 2:02 pm
ত্বোহাভাই আপনার মত মতো c ও g drive freeze করেছি। যে trial software গুলির trial period শেষ হয়ে গেছে সেগুলিকে আবার download করলেও install এর পর দেখাছ ছে trial peroid over.
কি করা যাবে।
28 অগাষ্ট, 2008 at 2:53 pm
একবার যেগুলো এক্সপায়ার হয়ে গেছে সেগুলোকে আবার ব্যবহার করতে হলে আপনাকে সম্ভবত উইন্ডোজ নতুন করেই ইনস্টল করতে হবে। কারণ সেগুলোর মেয়াদ যে শেষ হয়ে গেছে সেই তথ্য তো রেজিস্ট্রিতে জমাই আছে।
তবে নতুন কোন ট্রায়াল ভার্সন ব্যবহার করলে এ সমস্যা হবে না। আপনার প্রথমেই C ড্রাইভটা ফ্রিজ করা দরকার ছিল।
2 সেপ্টেম্বর, 2008 at 11:04 pm
Deep Freeze এর পাসওয়াড ভুলে গেলে খুলার উপায় কি?
2 সেপ্টেম্বর, 2008 at 11:06 pm
ধন্যবাদ Deep Freeze সম্পর্কে অনেক কিছু জানতে পারলাম।
3 সেপ্টেম্বর, 2008 at 3:18 am
আনোয়ার ভাই, পাসওয়ার্ড ভুলে গেলে তো মহা সমস্যা। আপনি কি আসলেই পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন, নাকি আমার মতো অন্যের পাসওয়ার্ড হ্যাকিং করার জন্য জানতে চাচ্ছেন? আমি নিজে সাইবার ক্যাফের কম্পিউটারগুলোর ডীপ ফ্রিজের পাসওয়ার্ড ভাঙ্গার পদ্ধতির জন্য অনেক খোঁজাখুঁজি করেছি। লাভ হয় নি।
পাসওয়ার্ড দেওয়া কোন ফাইলের পাসওয়ার্ড ভাঙ্গার জন্য যে সফটওয়্যারগুলো আমরা ব্যবহার করি, সেগুলো সাধারণত ডিকশনারি অ্যাটাক করে। কিন্তু ডীপ ফ্রিজের ক্ষেত্রে এই পদ্ধতি কাজ করবে কি না, সে ব্যাপারে আমার যথেষ্ট সন্দেহ আছে। কারণ ডীপ ফ্রিজে পরপর তিনবার ভুল পাসওয়ার্ড দিলে উইন্ডোটা বন্ধ হয়ে যায়। ফলে সেটাকে আবার শিফট+ডাবল ক্লিক করে চালু করতে হয়।
কাজেই প্রচলিত প্রোগ্রাম দিয়ে মনে হয় এর পাসওয়ার্ড ভাঙ্গা যাবে না। এর জন্য বিশেষ ভাবে তৈরি সফটওয়্যার ব্যবহার করতে হবে। এরকম সফটওয়্যার নেটে আছে কি না, আমার জানা নেই। আর থাকলেও সেটা যে ফ্রি পাওয়া যাবে না, সে ব্যাপারে মোটামুটি নিশ্চিত থাকতে পারেন।
4 সেপ্টেম্বর, 2008 at 7:56 pm
মোজাম্মেল ভাই, আমার সালাম নিবেন। ভাই আমি অনেক দিন ধরে একটি সাইট খোলার জন্য চেষ্টা করছি কিন্তু সম্ভব হচ্ছেনা। যদি আমাকে কিছু ধারনা দেন তাহলে হয়তো আমি একটি সাইট তৈরি করতে পারি। যদি আপনার সময় হয় তাহলে কিভাবে wordpress এ সাইট তৈরি করবো আমাকে জানাবেন।
6 সেপ্টেম্বর, 2008 at 1:58 am
সাজ্জাদ ভাই, ওয়ার্ড প্রেসে ব্লগ তৈরি করা খুবই সহজ। আপনি এখানে রেজিস্ট্রেশন করুন। এরপর ধীরে ধীরে নিজেই সবকিছু বুঝবেন। এর জন্য বাড়তি কোন জ্ঞান দরকার হয়না। আমি নিজেও প্রথম প্রথম দুশ্চিন্তায় ছিলাম। কিন্তু রেজিস্ট্রেশন করে দেখি একেবারে জলবত তরলং।
আর রেজিস্ট্রেশন করার কোন বিষয় বুঝতে অসুবিধা হলে আপনি এখানে সাহায্য চাইতে পারেন। আমি মোটেই বিরক্ত হব না। এবং আমার জানা থাকলে আমি অবশ্যই সাহায্য করব।
27 অক্টোবর, 2008 at 1:51 am
ত্বোহা ভাই, সুন্দর এ সফটওয়্যারটি শেয়ার করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। ঘুরতে ঘুরতে আজই আপনার ব্লগটি দেখলাম, চমৎকার!
ডীপ ফ্রীজ সম্পর্কে পড়ে প্রশ্ন জাগলো। প্রশ্নটি হল C: ড্রাইভে ফ্রীজ ইনস্টল করার পর (এন্যাবল অবস্থায়) ট্রায়াল সফটওয়্যার বাদে বা সহ অন্য যে কোন সফটওয়্যার ইনস্টল করে পিসি রিস্টার্ট করলে কি নতুন সফটটিও উইন্ডোজ থেকে হারিয়ে যাবে? যদি তাই হয় তা হলে তো মহাবিপদ। কারণ বিভিন্ন সময় বিভিন্ন সফট-এর প্রয়োজন হয়। অর্থাৎ এক্ষেত্রে আমি জানতে চাচ্ছি যে, ডীপ ফ্রীজ ইনস্টল করার পর কিভাবে এতে নতুন প্রোগ্রাম অ্যাড করবো যাতে করে নতুন প্রোগামটিও ডীপ ফ্রীজ ইনস্টল করার পূর্বের প্রোগ্রামের ন্যায় কাজ করবে? আশা করি প্রশ্নটি বুঝতে পেরেছেন।
3 নভেম্বর, 2008 at 1:53 am
ধুর! কোন response নাই। আর আসমুনা এই ব্লগে।
11 ডিসেম্বর, 2008 at 9:08 am
ভালোই জিনিস দিলেন। আমাকে আমার এক বন্ধুও এইটার কথা বলেছিল। তবে আপনার ব্লগ পড়ে এই ব্যাপারে বিস্তারিত জানতে পারলাম। ধন্যবাদ।
24 মার্চ, 2009 at 1:05 am
ভাইয়া, C ড্রাইভ ফ্রিজ থাকা অবস্থায় যদি কোনো সফটওয়্যার ইনস্টল করি, তাহলে কম্পিউটার বন্ধ করে পরে যদি আবার অন করি, তাহলে সফটওয়্যারটি আর থাকছে না। তাহলে restart না দিয়ে কম্পিউটার বন্ধ করলেই software টি আনইনস্টল হয়ে যায়।
24 অগাষ্ট, 2009 at 3:38 pm
ফ্রিজটা নিচ্ছি দেখি কি হয়। ধন্যবাদ।
3 সেপ্টেম্বর, 2009 at 2:16 am
কাজী মোঃ আশিকুর রহমান ভাই, আমি আসলেই খুবই দুঃখিত। আসলে নিজের পড়াশোনা, পার্টটাইম শিক্ষকতা, সব মিলিয়ে এতো বেশি ব্যস্ত থাকি যে, নিজের ব্লগে আসারই সময় পাই না।
ডীপ ফ্রিজ ইনস্টল করা থাকা অবস্থায় নতুন কোন সফটওয়্যার ইনস্টল করতে চাইলে আপনাকে প্রথমে ডীপ ফ্রিজ ডিজ্যাবল করে নিতে হবে। ইনস্টল করার পরে আবার এন্যাবল করে দিলেই কাজ হয়ে যাবে। তা না হলে একবার রিস্টার্ট করলেই ইনস্টল করা সফটওয়্যারটা গায়েব হয়ে যাবে।
3 সেপ্টেম্বর, 2009 at 2:28 am
মানিক ভাই, উপরের মন্তব্যটা আপনার জন্যেও প্রযোজ্য। নতুন সফটওয়্যার ইনস্টল করার আগে ডীপ ফ্রিজ ডিজ্যাবল করে নিতে হবে।