কৌতুক > কম্পিউটার > অপারেটিং সিস্টেম যখন এয়ারলাইন্স
ডস এয়ার : এই এয়ারলাইন্সের প্লেনগুলোর কার্যপদ্ধতি সম্পূর্ণরূপে ম্যানুয়াল। আপনি যদি এই প্লেনে চড়তে চান, তাহলে প্রথমে আপনাকে প্লেনটাকে হ্যাঙ্গার থেকে ঠেলে ঠেলে রানওয়েতে নিয়ে আসতে হবে। এরপর সকল যাত্রীর সহায়তায় এটাকে প্রচন্ড শক্তি দিয়ে ঠেলতে হবে যেন এটা আকাশে উড়ার মতো যথেষ্ট গতি অর্জন করতে পারে। যেই মুহূর্তে এটা উপরের দিকে উঠতে শুরু করবে, ঠিক সেই মুহূর্তেই আপনাকে চট করে প্লেনে উঠে যেতে হবে। আবার প্লেনটা যখন গন্তব্যে পৌছে মাটি স্পর্শ করবে, তখন সাথে সাথেই আপনাকে প্লেন থেকে নেমে পড়তে হবে এবং সর্বশক্তি প্রয়োগ করে প্লেনটাকে টেনে ধরে একে থামিয়ে ফেলতে হবে।
ম্যাক এয়ারওয়েজ : এই এয়ারলাইন্সের প্লেনের পাইলট থেকে শুরু করে, কো-পাইলট, স্টুয়ার্ড, ফ্লাইট অ্যটেন্ডেন্ট সবাই দেখতে একই রকম। এমন কি এদের কথাবার্তা, আচার-আরণও হুবহু একই ধরনের। আপনি যদি এদেরকে ফ্লাইট সংক্রান্ত কোন প্রশ্ন করেন, তাহলে এরা সবাই যে উত্তরটা দিবে তা হচ্ছে – ফ্লাইট সম্পর্কিত কোন বিষয় আপনার জানার কোন প্রয়োজন নেই। অনুগ্রহ করে আপনি আপনার আসনে ফিরে যান এবং মুভিটি উপভোগ করুন।
ইউনিক্স এক্সপ্রেস : এই এয়ারলাইন্সে কোন প্লেন থাকে না। টারমাকে শুধুমাত্র কয়েকটা ইঞ্জিন পড়ে থাকে। যাত্রীরা সবাই সাথে করে একেকটা পার্টস নিয়ে আসে এবং তর্ক করতে থাকে এগুলো ব্যবহার করে কি ধরনের প্লেন তৈরি করা উচিত। শেষ পর্যন্ত যাত্রীরা একমত হতে না পেরে বিভিন্ন দলে বিভক্ত হয়ে যায় এবং প্রতিটি দল পৃথকভাবে তাদের পার্টসগুলো ইঞ্জিনের সাথে জুড়ে দিয়ে তাতক্ষণিকভাবে একটা প্লেন তৈরি করে ফেলে। খুব কম সংখ্যক যাত্রীই এই প্লেনে করে গন্তব্যে পৌছতে পারে কিন্তু সবাই ভান করে যে তারাও গন্তব্যে পৌছে গেছে।
এবং উইন্ডোজ এয়ারলাইন্স : এই এয়ারলাইন্সের প্লেনগুলো একেবারে অত্যাধুনিক, এর এয়ারপোর্ট একেবারে ঝকঝকে-তকতকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন, এর পাইলট প্লেন চালনায় অত্যন্ত দক্ষ, এর এয়ার হোস্টেসরা অত্যন্ত রূপবতী, ব্যবহার মিষ্টি এবং সদা হাস্যময়ী, পুরো পরিবেশটা রীতিমতো মনোমুগ্ধকর। দেখলেই প্রাণ জুড়িয়ে যায়। এর প্লেন বিন্দুমাত্র ঝাকুনি ছাড়া অত্যন্ত চমত্কারভাবে মেঘমালা ভেদ করে নীল আকাশে পাড়ি জমায় এবং 20000 ফুট উচ্চতায় উঠে কোন রকম সতর্কবাণী ছাড়াই ভূপাতিত হয়।
উইন্ডোজ ভিস্তা এয়ারওয়েজ : এই এয়ারলাইন্সের গতি সুপারসনিক কনকর্ডের মতো। এর আরও দুই শতাধিক সুবিধা আছে কিন্তু সেগুলো আপনি এটাতে চড়ার পরেই জানতে পারবেন। এতে চড়তে হলে আপনার হার্ট হতে হবে শক্তিশালী, আপনার বয়স হতে হবে কমপক্ষে 35 বছর, আপনার উচ্চতা হতে হবে সাড়ে ছয় ফিট, ওজন হতে হবে 120 কেজি এবং এর এতে চড়ে ন্যূনতম দূরত্বে যেতে হলেও আপনাকে খরচ করতে হবে মাত্র 10 লাখ টাকা। এর নিরাপত্তা ব্যবস্থা অত্যন্ত চমত্কার কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত এটি প্রথম ফ্লাইটেই হাইজ্যাকারদের কবলে পড়েছিল।
15 অগাষ্ট, 2008 at 5:19 am
ভাই জোসসসসসসসসসসস হইছে। চালিয়ে যান।
15 অগাষ্ট, 2008 at 6:10 am
জোস, তবে উবুন্তু বাদ গেলো কেনো। ওটাও দিয়ে দেন।
15 অগাষ্ট, 2008 at 11:12 am
ধন্যবাদ সামিউল ভাই এবং স্বপ্নবাজ ভাই।
যেটা থেকে অনুবাদ করেছি সেটাতে উবুন্তু ছিল না। লিখতে হলে নিজেই লিখতে হবে। নিজে লেখা অবশ্য সমস্যা না – ভিস্তাটা নিজেই লিখেছি কিন্তু উবুন্তু ব্যবহার করিনি কখনও, এর বৈশিষ্ট্যও ভালো করে জানি না। তাই …
20 অগাষ্ট, 2008 at 9:15 pm
really funny. love it.
21 অগাষ্ট, 2008 at 2:08 am
উবুন্তুর উপর একটা লিখলাম। উবুন্তু কখনও ব্যবহার করিনি, কাউকে ব্যবহার করতেও দেখিনি। কিন্তু অনেকের উবুন্তু ব্যবহারের অভিজ্ঞতা পড়েছি। তার উপর ভিত্তি করেই লেখা :
উবুন্তু এয়ারলাইন্স : এই এয়ারলাইন্সের টিকেট খুবই সস্তা। এবং টিকেট ব্যবহারের ক্ষেত্রে আপনি সম্পূর্ণ ফ্রি। অর্থাত্ নিজের নামে টিকেট কেটে এরপর আপনি ইচ্ছে করলে অন্য কাউকেও সেই টিকেট ব্যবহার করতে দিতে পারবেন। এই এয়ারলাইন্স ব্যবহার করলে আপনার প্রয়োজন হোক বা না হোক, এর সাথে আপনাকে ট্রানজিটের সময় হোটেলে থাকা, খাওয়া, গাড়ি ব্যবহার করা সব সার্ভিসই সম্পূর্ণ বিনামূল্যে দেওয়া হবে। তবে অধিকাংশ সার্ভিসই একটু নিম্নমানের।
এমনকি এর প্লেনের খাবারগুলোও একটু কেমন যেন। আপনি যদি খাবারের আসল মজাটা পেতে চান তাহলে এই প্লেনের পাশাপাশি যেন উইন্ডোজ এয়ারলাইন্সের একটা প্লেনও সর্বদা উড়ে সেই ব্যবস্থা রাখতে হবে। যখন ভালো খাবার খেতে ইচ্ছে করবে তখন একলাফ দিয়ে ঐ প্লেনে চলে যাবেন, মনের সুখে চুরি করা খাবার দিয়ে পেটপূজা করে আবার এই প্লেনে ফিরে আসবেন এবং এরপর আবার সমানে উইন্ডোজ এয়ারলাইন্সের বদনাম করতে থাকবেন।
21 অগাষ্ট, 2008 at 2:38 am
ফাটাফাটি হইছে ….. সত্যিই চমত্কার ….. আসলে কি আমার এক বন্ধু দেশে চলে যাবে বলে আমার মনটা খুবই খারাপ ছিল বিকেল থেকে। তোর এই কৌতুকটা ….. কি বলব …..
কি বলব ….. আগে হাসি শেষ করে নেই ….. ধন্যবাদ …..
31 অগাষ্ট, 2008 at 1:05 pm
Excellent job. Do more……………
3 ফেব্রুয়ারি, 2009 at 4:35 am
darun hoise