ইফতার – প্রণব ভট্ট

ছোটগল্প > প্রণব ভট্ট > ইফতার

গত কয়েক বছর পূজার ছুটিতে বাড়ি যাওয়া হয়নি দয়াময়ীর। এর মধ্যে তো টানা দু বছর সে দেশেই ছিল না। সে আর হেমন্ত এমএস করতে দেশের বাইরে গিয়েছিল। ওই পর্ব অবশ্য শেষ, তারা দেশে ফিরেছে। কিছুদিন তারা দেশে থাকবে। তারপর পিএইচডি করার জন্য আবার বাইরে চলে যাবে। সুতরাং এ বছর যদি পূজার সময় বাড়ি যাওয়া না হয়, তাহলে বেশ কয়েক বছর আর যাওয়া হবে না। হেমন্তকে সে আগেই বলে রেখেছে, হেমন্তরও কোনো আপত্তি নেই। আপত্তি না থাকার কারণও আছে। দয়ামীয়কে সে ভালোবাসে প্রচণ্ড। এটা আপত্তি না করার পেছনে বড় একটা কারণ। দ্বিতীয় কারণটিও কম বড় নয়, এ দেশে হেমন্তর কেউ নেই। সুতরাং পূজার সময়টা সে যদি দয়াময়ীর সঙ্গে শ্বশুরবাড়িতে কাটায়, সেটা বউ নিয়ে নিজের বাড়িতে থাকার মতোই হবে।

পূজার সময় বাড়ি যাচ্ছে, এটা দয়াময়ীর ভেতরে উত্‍সাহ সৃষ্টি করেছে খুব। তার বাবা-মা দুজনই বেঁচে আছেন। খুব বড় না হলেও বড় দাদা ওই শহরেই ব্যবসা করছেন। ঠিকাদারি। দু দিদি অবশ্য দু জায়গায় ছড়িয়ে। দেশে ফিরে যাদের সঙ্গে কথা বলেছে দয়াময়ী, তারাও বলেছে এবারের পূজায় তারাও যাবে। বহুদিন পর সবাই একসঙ্গে হলে Read the rest of this entry »

রহস্য – হুমায়ূন আহমেদ

ছোটগল্প > হুমায়ূন আহমেদ > রহস্য

রহস্য জাতীয় ব্যাপারগুলিতে আমার তেমন বিশ্বাস নেই। তবু প্রায়ই এ রকম কিছু গল্প-টল্প শুনতে হয়। গত মাসে ঝিকাতলার এক ভদ্রলোক আমাকে এসে বললেন, তার ঘরে একটি তক্ষক আছে – সেটি রোজ রাত 1টা 25 মিনিটে তিনবার ডাকে। আমি বহু কষ্টে হাসি থামালাম। এ রকম সময়নিষ্ঠ তক্ষক আছে নাকি এ যুগে? ভদ্রলোক আমার নির্বিকার ভঙ্গি দেখে বললেন, কি ভাই বিশ্বাস করলেন না?
জ্বি না।
এক রাত থাকেন আমার বাসায়। নিজের চোখে দেখেন তক্ষকটা। ঘড়ি ধরে বসে থাকবেন। দেখবেন ঠিক 1টা 25 মিনিটে তিনবার ডাকবে।
আরে দুর! কি যে Read the rest of this entry »

পড়ুন দুইটি চাচা চৌধুরী

চাচা চৌধুরী

চাচা চৌধুরী

ইন্টারনেটে বিভিন্ন সাইটে নন্টেফন্টে সহ বেশ কিছু বাংলা কমিকস পাওয়া গেলেও সম্ভবত চাচা চৌধুরী কোথাও পাওয়া যায় না। বছর কয়েক আগে আমি গুগলিং করতে গিয়ে আমেরিকা থেকে প্রকাশিত কোন একটা সাইটে যেন কয়েকটা চাচা চৌধুরী পেয়ে গিয়েছিলাম। কিন্তু সেখানে প্রতিটি পৃষ্ঠা *jpeg ফরম্যাটে আলাদা আলাদা হিসেবে দেওয়া ছিল এবং প্রচুর অ্যাডের কারণে ব্রাউজ করতেও অনেক সময় লাগছিল বলে Read the rest of this entry »

তৈরি করুন যেকোন ফাইল-ফোল্ডার-প্রোগ্রামের কী-বোর্ড শর্টকাট

উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমে খুব সহজেই যেকোন ফাইল-ফোল্ডার বা প্রোগ্রাম চালু করার জন্য শর্টকাট কী নির্দিষ্ট করে দেওয়া যায়। কম্পিউটারে রক্ষিত হাজার হাজার ফাইল-ফোল্ডারের মধ্য থেকে অতি-প্রয়োজনীয় ফাইল-ফোল্ডারগুলোকে মুহূর্তের মধ্যেই চালু করার ক্ষেত্রে এই পদ্ধতি বেশ সহায়ক হতে পারে। এই পদ্ধতিতে যেহেতু CTRL+ALT+KEY, CTRL+SHIFT+KEY এবং ALT+SHIFT+KEY তিনভাবেই শর্টকাট কী অ্যাসাইন করা যায় এবং কী হিসেবে অক্ষর এবং সংখ্যা সহ কী-বোর্ডের প্রায় সবগুলো কী-ই ব্যবহার করা যায়, কাজেই এর মাধ্যমে কমপক্ষে আড়াইশো শর্টকাট কী Read the rest of this entry »

রিজিউম করুন আপনার ডাউনলোড

ইন্টারনেটে পাওয়া যায় না এরকম গান, নাটক, সিনেমা অথবা ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান বর্তমানে প্রায় নেই বললেই চলে। বৈধ বা অবৈধ যেভাবেই হোক না কেন, একটু খুঁজলেই যেকোন গান বা নাটক আপনি খুব সহজেই খুজে বের করতে পারবেন। কিন্তু এগুলো খুজে পাওয়া যতো সহজ, ডাউনলোড করা ততো সহজ না। গানের ব্যাপারটা অবশ্য একটু ভিন্ন। সাইজে ছোট বলে অনেকেই এগুলো নিজস্ব সার্ভারে আপলোড করে হট লিংক দিয়ে দেয়। ফলে আপনার কাছে কোন গানের লিংক থাকলে আপনি সেই লিংক ব্যবহার করে যেকোন কম্পিউটার থেকে যকোন সময়ে গানটা ডাউনলোড করে নিতে পারবেন। কিন্তু সমস্যা হয় নাটক অথবা সিনেমা জাতীয় Read the rest of this entry »

কৌতুক – আস্তাগফিরুল্লাহ

কৌতুক > প্রেম/ভালোবাসা > আস্তাগফিরুল্লাহ

এক সুন্দরী তরুণী পঞ্চাশ তলা উঁচু এক ভবনের ছাদে হাঁটাহাঁটি করতে গিয়ে অসাবধানতাবশত নিচে পড়ে গেল।

পড়তে পড়তে দশ তলা পার হয়ে সে যখন ঠিক চল্লিশ তলা পর্যন্ত আসল তখন এক বৃটিশ ভদ্রলোক (!) বারান্দা থেকে হাত বাড়িয়ে তাকে ধরে ফেলল। এভাবে নিশ্চিত মৃত্যুর হাত থেকে রক্ষা পাওয়ায় মেয়েটি খুশিতে আত্মহারা হয়ে অগ্র-পশ্চাত্‍ বিবেচনা না করেই সিনেমার ডায়লগের মতো গড় গড় করে বলল – আপনি আমার জীবন বাঁচিয়েছেন; কাজেই আমি আপনার প্রতি কৃতজ্ঞ। আপনার ঋণ শোধ করার জন্য আপনি যা চাইবেন Read the rest of this entry »

হায় রে! প্রথম আলোর আব্দুল কাইয়ূমও দেখি কপি-পেস্ট করে!

প্রথম আলোর জনপ্রিয় সাময়িকী “ছুটির দিনে”র কার্যকারণ বিভাগটি আমার খুবই প্রিয় একটি বিভাগ। এর লেখক আব্দুল কাইয়ূম এখানে বিজ্ঞানের বিভিন্ন মজার মজার বিষয় এবং আমাদের বাস্তব জীবনে ঘটা বিভিন্ন ঘটনার বৈজ্ঞানিক কারণগুলো খুব সহজ ভাষায় চমত্কার ভাবে ব্যাখ্যা করেন। সঙ্গত কারণেই এর লেখক আব্দুল কাইয়ূমকে আমি আমার একজন প্রিয় বিজ্ঞান বিষয়ক লেখকের তালিকায় স্থান দিয়েছিলাম। কিন্তু আজকের কার্যকারণ বিভাগের প্রবন্ধটা পড়ে আমার একটু আশাভঙ্গ হল বৈকি।

আব্দুল কাইয়ূমের আজকের প্রবন্ধটির নাম “সুইমিং পুলে সাতারের পর কেন আবার গোসল করতে হয়”। প্রবন্ধটা
নিঃসন্দেহে আকর্ষণীয় এবং তথ্যবহুল। কিন্তু ঠিক এই প্রবন্ধটিই আমি দিন কয়েক আগে ইয়াহুতে পড়েছিলাম। আমি নিজেও ওটা অনুবাদ করতে চেয়েছিলাম কিন্তু পরে আর করা হয়নি। ঐ প্রবন্ধটা এবং আব্দুল কাইয়ূমের প্রবন্ধটা পড়লে পরিষ্কারভাবে বুঝা যায় আব্দুল কাইয়ূম ওটাকে Read the rest of this entry »