টরেন্ট থেকে ডাইরেক্ট

ওকে, এইটা মূলত একটা অ্যাড ভিত্তিক পোস্ট, তবে উপকারী। মাঝে মাঝে নিশ্চয়ই টরেন্ট থেকে কোন জরুরী মুভি বা অন্য কোন ডাউনলোড করার দরকার হয়? কিন্তু যদি সীড কম থাকে, তাহলে? ওয়েল, সেজন্যই এই সাইটটা: https://www.seedr.cc/?r=61788

এই সাইটে গিয়ে রেজিস্ট্রেশন, লগইন করে ২ গিগার চেয়ে ছোট সাইজের যেকোন টরেন্ট ফাইলের লিংক দিয়ে দিলে ওরা সাথে সাথে সেটা কনভার্ট করে নিজেদের সার্ভারে আপলোড করে দেয়। এরপর সেখান থেকে আইডিএম বা অন্য কোন সফটওয়্যার দিয়ে সহজেই ডাউনলোড করা যায়।

সো, হ্যাপি টরেন্ট লীচিং! https://www.seedr.cc/

Advertisements

ইয়ে, বোধহয় আবার আসলাম!

এমনিতেই আমি কোন কাজ একনাগাগাড়ে বেশি দিন করতে পারি না। কাজেই ব্লগিংও যে তার ব্যাতিক্রম হবে না, সেটা বলাই বাহুল্য। কিছুদিন ব্লগিং করার পর একটু ব্যাস্ততা বেড়ে গেলেই ডুব মারি, তারপর মাস খানেক পর আবার হাজির হই। তবে এবারের দীর্ঘদিনের অনুপস্থিতির কারণটা অবশ্য ভিন্ন।

লিবিয়া যুদ্ধের কিছুদিন আগে অফিসে আমার পিসিতে নেট কানেকশন দেওয়া হয়েছিল, তাই ঠিক করেছিলাম নিয়মিত ব্লগিং শুরু করব। কিন্তু আন্দোলন শুরু হতে না হতেই গাদ্দাফী সাহেব ইন্টারনেট কানেকশনটা দিলেন ঘ্যাঁচ করে কেটে। দীর্ঘ আট মাস বন্ধ থাকার পর যুদ্ধ শেষে যখন ইন্টারনেট চালু হল, তখন দেখি দীর্ঘদিন ইনঅ্যাকটিভ থাকার কারণে আমার একাউন্টটা স্থগিত করা হয়েছে। ওয়ার্ডপ্রেসে ইমেইল-টিমেইল করে শেষ পর্যন্ত অবশ্য আবার চালু করতে পারলাম। কিন্তু এবার নিয়মিত হতে পারব কি না, সেটাই হচ্ছে কথা!

লিবিয়া যুদ্ধে (বিশেষ করে সিরত যুদ্ধ) প্রায় পুরাটুকুই আমি একেবারে রক্বম এতনীনে থেকেই প্রত্যক্ষ করেছি। আমার সেই অভিজ্ঞতাগুলো নিয়ে একটা বিশাল সিরিজ লিখেছি, যেগুলো অন্যান্য ব্লগে ইতিমধ্যেই শেয়ার করেছি। আপাতত এখানেও সেটা দিয়েই শুরু করব ভাবছি।
তবে শুরুতেই আমার ব্লগের সকল পাঠকদের কাছে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি, যারা বিভিন্ন পোস্টে মন্তব্য করেও তার কোন উত্তর পান নি। চেষ্টা করব এখন থেকে উত্তর দিতে।

অবশেষে ফন্ট সমস্যার সমাধান হল!

ওয়েবসাইটটা ভালোই, কিন্তু ফন্টগুলো খুবই ছোট – এই অভিযোগটা যে আমি এ পর্যন্ত কতবার শুনেছি, তার কোন হিসেব নেই। তবে এই অভিযোগের দিন সম্ভবত শেষ হতে চলল। একটু আগে ওয়ার্ডপ্রেসেরই দায়ীন নামের একজনের ব্লগে এই লেখাটা পেলাম।

এখানে ফন্ট বড় করার দুটো পদ্ধতি বর্ণনা করা হয়েছে। টেস্ট করে দেখি কেমন চলে। যদি কাজ করে তাহলে কেউ আর তাদের চোখের বারোটা বাজানোর জন্য আমার ঘাড়ে দোষ চাপাতে পারবে না। 🙂

উদাহরণ এক – বড় সাইজ এক
এটা পুরাতন ছোট লেখা
উদাহরণ দুই – বড় সাইজ দুই
এটা পুরাতন ছোট লেখা
এটা পুরাতন ছোট লেখা
উদাহরণ তিন – বড় সাইজ তিন
এটা পুরাতন ছোট লেখা
এটা পুরাতন ছোট লেখা
এটা পুরাতন ছোট লেখা
এটা দ্বিতীয় পদ্ধতিতে এক সাইজ বড়
এটা পুরাতন ছোট লেখা
এটা পুরাতন ছোট লেখা
এটা পুরাতন ছোট লেখা
এটা দ্বিতীয় পদ্ধতিতে দুই সাইজ বড়
এটা পুরাতন ছোট লেখা
এটা পুরাতন ছোট লেখা
এটা পুরাতন ছোট লেখা
এটা দ্বিতীয় পদ্ধতিতে তিন সাইজ বড়

প্রিয় ভিজিটর, আপনারা মন্তব্য করুন কোন সাইজে আপনারা আমার ব্লগের সাধারণ লেখাগুলো দেখতে চান?

আবার শুরু করি?

প্রায় এক বছর হয়ে গেল ব্লগে কিছু লিখিনি। এর মধ্যে অনেকেই এসে অনেক মন্তব্য করেছেন, অনেক কিছু জানতে চেয়েছেন। একজন তো হতাশ হয়ে বলেই ফেলেছেন যে, এই ব্লগে তিনি আর আসবেন না। এর জন্য আমি সত্যিই দুঃখিত। আসলে এতোদিন পড়ালেখা, পার্টটাইম শিক্ষকতা, স্লো ইন্টারনেট কানেকশন সব মিলিয়ে ব্লগে আসা সম্ভব হয় নি।

এর কোনটাই অবশ্য এখনও শেষ হয় নি। তবুও দেখি আবার নতুন করে শুরু করা যায় কি না! চেষ্টা করব আবার যতদিন পড়ালেখার চাপ শুরু না হয়, ততদিন প্রতিদিন না হোক, অন্তত প্রতি সপ্তাহে কিছু না কিছু লিখতে। আর না পারলে কি আর করা? আবারও দুঃখিত!

গাদ্দাফীনামা

মোয়াম্মার আল গাদ্দাফী

মোয়াম্মার আল গাদ্দাফী

আজ আউয়াল (পহেলা) সেপ্টেম্বর। লিবিয়ান বিপ্লব দিবস। 1969 সালের এই দিনে লিবিয়ান নেতা মোয়াম্মার আল গাদ্দাফী সাবেক আমীর ইদ্রীস আল সেনুসীকে এক রক্তপাতহীন অভ্যুত্থানের মাধ্যমে অপসারণ করে ক্ষমতায় আরোহণ করেন। সেই থেকে গত 39 বছর ধরে তিনি প্রবল পরিক্রমায় দেশ পরিচালনা করে আসছেন। আজ তার ক্ষমতায় আরোহণের 39 তম বার্ষিকী আমার ব্লগে এই প্রবন্ধটা দিলাম। এর তথ্যগুলোর অর্ধেক ইন্টারনেট থেকে নেওয়া এবং বাকি অর্ধেক আমার নিজের 18 বছর ধরে লিবিয়ায় থাকার অভিজ্ঞতা থেকে লেখা।

মোয়াম্মার আল গাদ্দাফীর পুরো নাম আবু মিনিয়ার আল মোয়াম্মার আল গাদ্দাফী। তাঁর জন্ম 1942 সালে সিরত শহরের এক যাযাবর বেদুইন পরিবারে। অন্যসব লিবিয়ান শিশুর মতো তিনিও শৈশবে ঐতিহ্যগত ধর্মীয় শিক্ষা লাভ করেন। এরপর তিনি 1956 সাল থেকে 1961 সাল পর্যন্ত ফেজান এর সাবহা প্রিপারেটরি স্কুলে অধ্যয়ন করেন। সেখানে অধ্যয়ন কালে তিনি এবং তাঁর কতিপয় বন্ধু সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে লিবিয়ার শাসন ক্ষমতা দখল করার পরিকল্পনা করেন। কিন্তু তাঁর এ পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হওয়ার আগেই Read the rest of this entry »

হায় রে! প্রথম আলোর আব্দুল কাইয়ূমও দেখি কপি-পেস্ট করে!

প্রথম আলোর জনপ্রিয় সাময়িকী “ছুটির দিনে”র কার্যকারণ বিভাগটি আমার খুবই প্রিয় একটি বিভাগ। এর লেখক আব্দুল কাইয়ূম এখানে বিজ্ঞানের বিভিন্ন মজার মজার বিষয় এবং আমাদের বাস্তব জীবনে ঘটা বিভিন্ন ঘটনার বৈজ্ঞানিক কারণগুলো খুব সহজ ভাষায় চমত্কার ভাবে ব্যাখ্যা করেন। সঙ্গত কারণেই এর লেখক আব্দুল কাইয়ূমকে আমি আমার একজন প্রিয় বিজ্ঞান বিষয়ক লেখকের তালিকায় স্থান দিয়েছিলাম। কিন্তু আজকের কার্যকারণ বিভাগের প্রবন্ধটা পড়ে আমার একটু আশাভঙ্গ হল বৈকি।

আব্দুল কাইয়ূমের আজকের প্রবন্ধটির নাম “সুইমিং পুলে সাতারের পর কেন আবার গোসল করতে হয়”। প্রবন্ধটা
নিঃসন্দেহে আকর্ষণীয় এবং তথ্যবহুল। কিন্তু ঠিক এই প্রবন্ধটিই আমি দিন কয়েক আগে ইয়াহুতে পড়েছিলাম। আমি নিজেও ওটা অনুবাদ করতে চেয়েছিলাম কিন্তু পরে আর করা হয়নি। ঐ প্রবন্ধটা এবং আব্দুল কাইয়ূমের প্রবন্ধটা পড়লে পরিষ্কারভাবে বুঝা যায় আব্দুল কাইয়ূম ওটাকে Read the rest of this entry »

Hello world!

Welcome to WordPress.com. This is your first post. Edit or delete it and start blogging!