Tag Archives: মুভি রিভিউ

ডুব নাটক নাকি সিনেমা?

ফারুকীর ডুব মুক্তি পাচ্ছে আগামীকাল। এবং যথারীতি কিছু দর্শক সিনেমা দেখে বা না দেখেই বলবে, এটা সিনেমা হয়নি, নাটক হয়েছে।

ফারুকীকে আপনার পছন্দ না হতে পারে, ফাইন। ফারুকীর সিনেমার থীম, স্টাইলও পছন্দ না হতে পারে, আরও ফাইন। হুমায়ূন আহমেদের নাম ভাঙ্গিয়ে সিনেমা তৈরি করাটা আপনার কাছে অনৈতিক মনে হতে পারে, ফাইন টু দ্যা পাওয়ার ইনফিনিটি; বাট ইউ জাস্ট কান্ট লেবেল এ ফিচার ফিল্ম অ্যাজ এ নাটক!

Continue reading ডুব নাটক নাকি সিনেমা?

Advertisements

অসাধারণ কিছু নন লিনিয়ার টাইমলাইনের মুভি

নন লিনিয়ার টাইমলাইন হল যেখানে সিনেমার কাহিনী সরলগতিতে এগোয় না। অথবা বলা যায়, যেখানে সিনেমার দৃশ্য পরম্পরা বাস্তবের ঘটনার পরম্পরা অনুসরণ করে না। আগের ঘটনা পরে, পরের ঘটনা আগে এভাবে দেখানো মিলিয়ে-মিশিয়ে দেখানো হয়। এ ধরনের মুভির সবচেয়ে বড় উপকারিতা হল, এতে কাহিনী এমন জটিলভাবে সাজানো যায়, যে পুরো মুভি জুড়ে শেষের ঘটনাগুলো সম্পর্কে কিছু কিছু আভাস দিয়ে আকর্ষণও তৈরি করা যায়, আবার মূল রহস্যটা একেবারে শেষ দৃশ্যে এসে উন্মোচিত করা যায়। ফলে পুরো সিনেমাজুড়েই সিনেমাটা দর্শকের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকতে পারে।

Continue reading অসাধারণ কিছু নন লিনিয়ার টাইমলাইনের মুভি

All The President’s Men – (সৎ ও সাহসী সাংবাদিকের এক অসৎ প্রেসিডেন্টকে ধুলিস্যাৎ করে দেবার গল্প)

পলিটিক্যাল থ্রিলার মুভিগুলো আমার দারুণ পছন্দের। আর সেটা যদি সত্য কাহিনী অবলম্বনে হয়, তা হলে তো কথাই নেই। অল দ্যা প্রেসিডেন্টস মেন (All The President’s Men) সেরকমই একটা মুভি। দুই দুঃসাহসী সাংবাদিক কি অসাধারণ দক্ষতা এবং সাহসিকতার সাথে ওয়াটারগেট ক্যালেংকারির পেছনের ঘটনা উন্মোচিত করে শেষ পর্যন্ত আমেরিকার ইতিহাসে প্রথমবারের মতো কোন প্রেসিডেন্টকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করে, সেই কাহিনীর সফল চিত্রায়ন এই মুভিটি। বলা যায় এই ক্যাটাগরির এটাই সেরা মুভি।

Continue reading All The President’s Men – (সৎ ও সাহসী সাংবাদিকের এক অসৎ প্রেসিডেন্টকে ধুলিস্যাৎ করে দেবার গল্প)

স্ট্রেঞ্জার দ্যান ফিকশন – ভিন্নস্বাদের সুন্দর একটি মুভি

কিছু কিছু ফিল্ম আছে যেগুলো খুবই দারুণ, কিন্তু শুরুটা হয়তো ভীষণ বোরিং। প্রথম ত্রিশ-চল্লিশ মিনিট হয়তো জোর করে ঝিমুতে ঝিমুতে দেখতে হয়, তারপরেই মূল ইন্টারেস্টটা শুরু হয়। কিন্তু স্ট্রেঞ্জার দ্যান ফিকশন এমন একটা ফিল্ম যেটা একেবারে প্রথম দৃশ্য, প্রথম ডায়লগ থেকেই ইন্টারেস্টিং। এই মুভির মূল থীম হচ্ছে ইন্টারকানেকটিভিটি। মুভির মূল চরিত্র হ্যারল্ড ক্রীক নামের এক মাঝ বয়েসী একজন আইআরএস অডিটর। তার কাজকর্ম নিঁখুত সংখ্যা নিয়ে বলেই সম্ভবত সে অত্যন্ত গতানুগতিক, নিয়মানুবর্তী এবং সময়ানুবর্তী জীবন যাপন করে। তার এই নিয়ামুবর্তী জীবন যাপনের একটা উদাহরণ হল, গত ১২ বছর ধরে সে প্রতিদিন সকাল বেলা তার ৩২টি দাঁত ৭৬ বার করে ব্রাশ করে আসছে – ৩৮ বার আড়াআড়ি এবং ৩৮ বার উপর-নিচে। কিন্তু তার এই সাজানো গোছানো জীবন সম্পূর্ণ ওলট পালট হয়ে যায় এক সকালে, যখন সে শুনতে পায় কেউ একজন তার জীবন যাপন হুবহু বর্ণনা করে চলছে।

Continue reading স্ট্রেঞ্জার দ্যান ফিকশন – ভিন্নস্বাদের সুন্দর একটি মুভি

আরও এক ডজন অসাধারণ কোর্টরুম ড্রামা

এর আগের পোস্টে এক ডজন অসাধারণ কোর্টরুম ড্রামার বিস্তারিত রিভিউ দিয়েছিলাম। সেগুলো ছাড়াও আমার দেখা আরো এক ডজন মুভির অতি-সংক্ষিপ্ত বর্ণনা দিলাম এখানে, যাদের সবগুলোকে হয়তো ঠিক কোর্টরুম ড্রামা বলা যাবে না, কিন্তু এইসব মুভিতে বিচারকার্যের একটা বড় ভূমিকা আছে।

Continue reading আরও এক ডজন অসাধারণ কোর্টরুম ড্রামা

এক ডজন অসাধারণ কোর্টরুম ড্রামা

কোর্টরুম ড্রামা হল সেই ধরনের মুভি যার একটা প্রধান অংশ আবর্তিত হয় কোর্টকে কেন্দ্র করে। তবে সব সময়ই যে সেটা কোর্টরুমের ভেতরেই হতে হবে এমন কোন কথা নেই। সেটা জুরি রুম কেন্দ্রিকও হতে পারে, আবার অ্যাটর্নির অফিস কেন্দ্রিকও হতে পারে। অর্থাত্‍ এ ধরনের মুভির কাহিনী বিচার ব্যবস্থার কোন একটি অংশকে হাইলাইট করে। এই ধরনের মু‌ভির আরও কয়েকটি নাম আছে। যেমন, ট্রায়াল মুভি, লীগ্যাল ড্রামা ইত্যাদি।

Continue reading এক ডজন অসাধারণ কোর্টরুম ড্রামা

ফারুকীর পিঁপড়াবিদ্যা

দেখলাম ফারুকীর পিঁপড়াবিদ্য। অসাধারণ কিছু না হলেও ভালোই লেগেছে। অন্তত আর দশটা বাংলা সিনেমা থেকে তো অবশ্যই ভালো। যেই দেশে তারেক মাসুদ নাই, সেই দেশে এর চেয়ে বেশি কিছু আশা করাটাও বোকামি। গত কয়েক বছর ধরে বেশ কিছু বাংলা সিনেমা আশা জাগালেও শেষ পর্যন্ত সুন্দর পোস্টার আর দুই একটা গান ছাড়া কিছু দিতে পারে নি। সেই বিবেচনায় পিঁপড়াবিদ্যা অন্তত বাস্তব জীবনের একটা দিকে আলোকপাত করেতে পেরেছে, কিছুটা চিন্তার খোরাক জুগিয়েছে।

Continue reading ফারুকীর পিঁপড়াবিদ্যা