Tag Archives: সাইফ আল-ইসলাম

গাদ্দাফীর ছেলে সাইফ আল-ইসলামই কি হবেন লিবিয়ার ভবিষ্যত নেতা?

২০১১ সালে গাদ্দাফীর বিরুদ্ধে বিদ্রোহ শুরু হলে সাইফ আল-ইসলাম পরিপূর্ণভাবে তার বাবার পক্ষে অবস্থান নেন। তিনি মিডিয়া উঠে আসা নিরস্ত্র বিক্ষোভকারীদের উপর গুলি বর্ষণের দাবি অস্বীকার করেন। বিদ্রোহ চলতে থাকলে দেশ গোত্রে গোত্রে লড়াই করে হয়ে ধ্বংস হয়ে যাবে এবং বিদেশীরা তেল এবং অর্থের লোভে লিবিয়ায় আগ্রাসন চালাবে বলে হুঁশিয়ারি করেন। তবে পরবর্তীতে তিনি বিভিন্ন সময় নির্বাচন এবং সমঝোতার প্রস্তাব দিলেও ন্যাটো এবং বিদ্রোহীরা গাদ্দাফীর পুরো পরিবার ও সরকারের পদত্যাগ ছাড়া আলোচনায় আগ্রহী না হওয়ায় তার উদ্যোগ ব্যর্থ হয়

২০১১ সালের ২৭শে জুন, ইন্টারন্যাশনাল ক্রিমিনাল কোর্ট তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে। তার বিরুদ্ধে বেসামরিক জনগণের উপর গুলি বর্ষণের নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়, যদিও তিনি এই অভিযোগ অস্বীকার করেন। গাদ্দাফীর মৃত্যুর তিন দিন আগে, ১৭ই অক্টোবরে, বানি ওয়ালিদ শহরের পতনের পর সেখান থেকে পালিয়ে যাওয়ার সময় ন্যাটো তার কনভয়ের উপর বিমান হামলা করে। এতে তার ডান হাতে আঘাত লাগে

গাদ্দাফীর মৃত্যুর পর, ১৯শে নভেম্বর, মরুভূমি দিয়ে ছদ্মবেশে নাইজারে পালিয়ে যাওয়ার সময় তার পথপ্রদর্শকের বিশ্বাসঘাতকতার ফলে সাইফ বিদ্রোহীদের হাতে গ্রেপ্তার হন। পার্বত্য শহর জিনতানের ‘আবু বকর আল-সিদ্দীক’ নামক ব্রিগেড তাকে গ্রেপ্তার করে। তখন থেকে তিনি জিনতানেই বন্দী ছিলেন

সাইফ আল-ইসলামের বিস্তারিত পরিচয়, গ্রেপ্তারের পর তার বিচার প্রক্রিয়া, সেই বিচারের রায় কেন কার্যকর হয়নি, সাইফকে কেন মুক্তি দেওয়া হয়েছিল, মুক্তি পেয়ে থাকলে তিনি এখন কোথায় আছেন, মুক্ত সাইফ লিবিয়াতে কতটুকু নিরাপদ, লিবিয়াতে সাইফের জনপ্রিয়তা কতটুকু, লিবিয়ার রাজনীতিতে সাইফের ভবিষ্যত কতটুকু – এসব প্রশ্নের উত্তর বিস্তারিত জানতে মূল প্রবন্ধটি পড়ুন Roar বাংলার এই লিংক থেকে

Advertisements

সাইফ আল-ইসলামের ফাঁসির রায় এবং দ্রুত বিচারের সমস্যা

গাদ্দাফীর ছেলে সাইফুল ইসলাম সহ মোট নয়জনকে ২০১১ সালের যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে ফায়ারিং স্কোয়াডে মৃত্যুদন্ড দিয়েছে ত্রিপলীর একটা আদালত। বিএনপিপন্থীদের ভাষায় বলতে হয়, আমিও এদের বিচারের পক্ষে, কিন্তু … 🙂

এইসব ক্ষেত্রে “ছাগু” ট্যাগ দেওয়াটা ট্রেন্ড হলেও এই কিন্তুটা আসলেই বড় একটা ব্যাপার। এতো বড় একটা যুদ্ধ হয়েছে, এতো হাজার হাজার মানুষ গণহত্যায় মারা গিয়েছে, এর দায় তো কাউকে না কাউকে নিতেই হবে। আর সাইফুল ইসলামের ভাষণগুলো যে বিদ্রোহীদের প্রতি কিরকম উস্কানিমূলক এবং বিদ্বেষমূলক ছিল, সেটা তো আমাদের নিজেদেরই দেখা! কাজেই আমার ধারণা একটা “স্বচ্ছ”, “নিরপেক্ষ” এবং “আন্তর্জাতিক মানের” বিচার হলেও সাইফুল ইসলাম এবং অন্যান্য অভিযুক্তদের ফাঁসি না হলেও যাবজ্জীবন কারাদন্ড অবশ্যই হতে পারতো।

Continue reading সাইফ আল-ইসলামের ফাঁসির রায় এবং দ্রুত বিচারের সমস্যা