‘লিবিয়ার শতবর্ষের নির্জনতা’ : মোজাম্মেল হোসেন ত্বোহার সাক্ষাৎকার

ইরফানুর রহমান রাফিন একজন জনপ্রিয় ব্লগার। সম্প্রতি তিনি নিজের ব্লগে ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন ব্যক্তির সাক্ষাৎ প্রকাশ করা শুরু করেছেন। প্রথম সাক্ষাৎকারটি নিয়েছেন জনপ্রিয় রাজনৈতিক সমালোচক অনুপম দেবাশীষ রয়ের। আর দ্বিতীয় সাক্ষাৎকারটি ছিল আমার।

এই সাক্ষাৎকারে লিবিয়ার সংক্ষিপ্ত ইতিহাস, গাদ্দাফীর উত্থান, তার শাসণামলের ভালোমন্দ দিকগুলো, ২০১১ সালের বিদ্রোহের সূচনা, দেশী-বিদেশী শক্তির প্রভাব, বিদ্রোহ পরবর্তী লিবিয়ার রাজনীতি, আল-ক্বায়েদা-আইসিসের উত্থান, তাদের ক্ষমতার উৎস, লিবিয়ার ভবিষ্যৎ সহ অনেক কিছু উঠে এসেছে।

মূল সাক্ষাৎকারটি পড়তে পারেন এই লিংক থেকে

Continue reading ‘লিবিয়ার শতবর্ষের নির্জনতা’ : মোজাম্মেল হোসেন ত্বোহার সাক্ষাৎকার

Advertisements

১৭ই ফেব্রুয়ারির বিপ্লব: গাদ্দাফীর পতনের জানা-অজানা ‌অধ‍্যায়

২০১১ সালের ১৭ই ফেব্রুয়ারি। আরব বসন্তের ধারাবাহিকতায় সেদিন লিবিয়াতেও শুরু হয়েছিল গাদ্দাফীর বিরুদ্ধে আন্দোলন, যার ধারাবাহিকতায় আট মাস পর পতন ঘটে বেয়াল্লিশ ধরে ক্ষমতায় থাকা লৌহ মানব মোয়াম্মার আল-গাদ্দাফীর। কিন্তু ঠিক কী কারণে, কীভাবে শুরু হয়েছিল এ বিদ্রোহ? আর ঠিক কীভাবেই পতন হয়েছিল গাদ্দাফীর? সেই ইতিহাসই তুলে ধরলাম এ লেখায়। লেখাটি মানবজমিন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিল।

Continue reading ১৭ই ফেব্রুয়ারির বিপ্লব: গাদ্দাফীর পতনের জানা-অজানা ‌অধ‍্যায়

মুহাম্মদ: দ্য ম্যাসেঞ্জার অফ গড – রাসূলের বাল্যকাল নিয়ে বিতর্কিত ইরানি চলচ্চিত্র

মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা) এর জীবনীর উপর ভিত্তি করে প্রথম আন্তর্জাতিক মানের চলচ্চিত্র নির্মিত হয়েছিল ১৯৭৬ সালে। ‘দ্য ম্যাসেজ’ নামে ঐ চলচ্চিত্রটির নির্মাণের পেছনের কাহিনী নিয়ে রোর বাংলায় একটি প্রবন্ধও আছে। ক্লাসিক হিসেবে মর্যাদা প্রাপ্ত ঐ চলচ্চিত্রটি নির্মাণের প্রায় চার দশক পর বিশ্ববাসী আবারও একটি চলচ্চিত্র উপহার পেল রাসূলের (সা) জীবনী নিয়ে। ২০১৫ সালে নির্মিত এবারের চলচ্চিত্রটির নাম ‘মুহাম্মাদ: দ্য ম্যাসেঞ্জার অফ গড’। বিষয়বস্তু একই হলেও এবারের চলচ্চিত্রটি প্রায় সবদিক থেকেই ভিন্ন এবং একই সাথে কিছুটা বিতর্কিত। Continue reading মুহাম্মদ: দ্য ম্যাসেঞ্জার অফ গড – রাসূলের বাল্যকাল নিয়ে বিতর্কিত ইরানি চলচ্চিত্র

জেরুজালেম নিয়ে মিসরের লীক হওয়া অডিওর অন্তরালে

জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী করার পক্ষে দালালি করার ব্যাপারে মিসরের যে অডিও রেকর্ডিংগুলো ফাঁস হয়েছে বলে নিউ ইয়র্ক টাইমস দাবি করেছে, সেটা অবিশ্বাস করার কোনো কারণ দেখছি না। গত কয়েক দশক ধরে আরব ডিক্টেটররা সবাই এই ভূমিকাই পালন করেছে। মুখে অনেক হম্বিতম্বি করেছে, কিন্তু বাস্তবে নিজেদের দেশের, বা আরো পরিষ্কারভাবে বললে নিজের গদির স্বার্থ বিনষ্ট হয়, এমন কোনো কাজ করেনি। প্রায় কেউই করেনি।

প্যাটার্নগুলো খেয়াল করলে দেখবেন, সৌদি আরবেও কিন্তু একই রকম ঘটনা ঘটছে। সৌদি শাসকরা ফিলিস্তিনের পক্ষে কথা বলছে ঠিকই, কিন্তু সেটা খুবই ক্ষীণ কন্ঠে। বরং সৌদিপন্থী সো কলড লিবারেল মিডিয়াগুলোতে পরোক্ষভাবে জেরুজালেমকে গুরুত্বহীন করার একটা প্রচেষ্টা দেখা যায়। অদূর ভবিষ্যতে যদি সৌদি আরবেরও অডিও ফাঁস হয়, অবাক হব না।

Continue reading জেরুজালেম নিয়ে মিসরের লীক হওয়া অডিওর অন্তরালে

ইরানের আন্দোলন এবং আমাদের নৈতিক অবস্থান

আরব বসন্ত বলেন আর ইরানের আন্দোলনই বলেন, এগুলো ঠিক কতটুকু স্বতঃস্ফূর্ত, আর কতটুকু আমেরিকার এজেন্টদের দ্বারা পূর্ব পরিকল্পিত?

প্রতিটা আন্দোলনে পশ্চিমা রাষ্ট্র এবং মিডিয়ার ভূমিকা যে নির্লজ্জের মতো একপেশে, সেটা দিবালোকের মতো পরিষ্কার। ইরানের কয়েক কোটি জনগণের মধ্যে কয়েক হাজার, এমনকি কয়েক লাখ মানুষের আন্দোলন করাটাও খুব বেশি অস্বাভাবিক না। কিন্তু পশ্চিমা মিডিয়া সেটাকে এমনভাবে কভার করছে এবং উস্কানি দিচ্ছে, যেন ইরানের জনগণের কেউই তার সরকারের পক্ষে নাই।

Continue reading ইরানের আন্দোলন এবং আমাদের নৈতিক অবস্থান

হামাসের বিরুদ্ধে আইএসের যুদ্ধ: আসলে খারাপ হয়েছে, না ভালো?

আইএস হামাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছে  এক দিক থেকে চিন্তা করলে ব্যাপারটা ভালোই হয়েছে। কেন? লেট মি এক্সপ্লেইন।

অধিকাংশ দেশে আইএসের অপারেশনগুলোর ফলাফলগুলো কী হয়? তারা হামলা করে, দায় স্বীকার করে, সরকার/আমেরিকা পাল্টা অভিযান চালায়, মানুষের ধারণা পাকাপোক্ত হয় আমেরিকাই অভিযান চালানোর অযুহাত তৈরির জন্য আইএসকে দিয়ে হামলা করাচ্ছে।

Continue reading হামাসের বিরুদ্ধে আইএসের যুদ্ধ: আসলে খারাপ হয়েছে, না ভালো?

লিবিয়ার রাজনীতিতে ২০১৮ সালে কী ঘটবে?

আন্তর্জাতিক রাজনীতি নিয়ে কয়েকটা হাফ অনুবাদ টাইপ লেখা দিয়েছিলাম Roar বাংলাতে, কিন্তু নতুন বছরে লিবিয়ার রাজনীতিতে কী ঘটবে, সেটা নিয়ে লেখা হয়নি। লিবিয়ার ব্যাপারটা আসলে ভীষণ জটিল। ক্রমাগত অ্যালায়েন্স শিফটিংয়ের কারণে লিবিয়া, ইয়েমেন এবং সিরিয়ার রাজনীতি খুবই আনপ্রেডিক্ট্যাবল। তাই কী ঘটবে বলার আগে সাম্প্রতিক সময়ে কী ঘটছে, সেদিকটা একটু দেখি।

যেটা আশা করিনি, লিবিয়া নির্বাচনের দিকে হাঁটছে। তবে আশাবাদী হওয়ার খুব বেশি কারণ নাই। নির্বাচন তখনই ফলপ্রসু হয়, যখন একটা অনিশ্চয়তা থাকে – লড়াইটা প্রায় সমান সমান হয়। কিন্তু যদি নির্বাচনের আগেই বলে দেওয়া যায় কারা জিতবে, এবং ল্যান্ডস্লাইডে জিতবে, তাহলে সেই নির্বাচন শেষ পর্যন্ত বানচাল হয়ে যাওয়ার অথবা ব্যর্থ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। লিবিয়াতে সম্ভবত সেটাই হতে যাচ্ছে।

Continue reading লিবিয়ার রাজনীতিতে ২০১৮ সালে কী ঘটবে?

গাদ্দাফী এবং আরাফাত – এক কালের দুই বিপ্লবী

প্রথম জীবনে গাদ্দাফী ছিলেন বিপ্লবী চরিত্রের নেতা। তার মূলনীতিগুলোর মধ্যে অন্যতম ছিল আরব জাতীয়তাবাদ প্রতিষ্ঠা করা এবং ইসরায়েলকে উচ্ছেদ করা। লিবিয়াতে ক্ষমতায় আসার পরপরই গাদ্দাফী লিবিয়ার সম্পূর্ণ ইহুদী সম্প্রদায়কে বহিষ্কার করেছিলেন। অবশ্য এটা কতটুকু জাস্টিফাইড ছিল, সেই আলোচনায় এখানে গেলাম না।

Continue reading গাদ্দাফী এবং আরাফাত – এক কালের দুই বিপ্লবী

যুদ্ধক্ষেত্র থেকে শান্তির বার্তা