‘লিবিয়ার শতবর্ষের নির্জনতা’ : মোজাম্মেল হোসেন ত্বোহার সাক্ষাৎকার

ইরফানুর রহমান রাফিন একজন জনপ্রিয় ব্লগার। সম্প্রতি তিনি নিজের ব্লগে ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন ব্যক্তির সাক্ষাৎ প্রকাশ করা শুরু করেছেন। প্রথম সাক্ষাৎকারটি নিয়েছেন জনপ্রিয় রাজনৈতিক সমালোচক অনুপম দেবাশীষ রয়ের। আর দ্বিতীয় সাক্ষাৎকারটি ছিল আমার।

এই সাক্ষাৎকারে লিবিয়ার সংক্ষিপ্ত ইতিহাস, গাদ্দাফীর উত্থান, তার শাসণামলের ভালোমন্দ দিকগুলো, ২০১১ সালের বিদ্রোহের সূচনা, দেশী-বিদেশী শক্তির প্রভাব, বিদ্রোহ পরবর্তী লিবিয়ার রাজনীতি, আল-ক্বায়েদা-আইসিসের উত্থান, তাদের ক্ষমতার উৎস, লিবিয়ার ভবিষ্যৎ সহ অনেক কিছু উঠে এসেছে।

মূল সাক্ষাৎকারটি পড়তে পারেন এই লিংক থেকে

Continue reading ‘লিবিয়ার শতবর্ষের নির্জনতা’ : মোজাম্মেল হোসেন ত্বোহার সাক্ষাৎকার

Advertisements

জেরুজালেম নিয়ে মিসরের লীক হওয়া অডিওর অন্তরালে

জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী করার পক্ষে দালালি করার ব্যাপারে মিসরের যে অডিও রেকর্ডিংগুলো ফাঁস হয়েছে বলে নিউ ইয়র্ক টাইমস দাবি করেছে, সেটা অবিশ্বাস করার কোনো কারণ দেখছি না। গত কয়েক দশক ধরে আরব ডিক্টেটররা সবাই এই ভূমিকাই পালন করেছে। মুখে অনেক হম্বিতম্বি করেছে, কিন্তু বাস্তবে নিজেদের দেশের, বা আরো পরিষ্কারভাবে বললে নিজের গদির স্বার্থ বিনষ্ট হয়, এমন কোনো কাজ করেনি। প্রায় কেউই করেনি।

প্যাটার্নগুলো খেয়াল করলে দেখবেন, সৌদি আরবেও কিন্তু একই রকম ঘটনা ঘটছে। সৌদি শাসকরা ফিলিস্তিনের পক্ষে কথা বলছে ঠিকই, কিন্তু সেটা খুবই ক্ষীণ কন্ঠে। বরং সৌদিপন্থী সো কলড লিবারেল মিডিয়াগুলোতে পরোক্ষভাবে জেরুজালেমকে গুরুত্বহীন করার একটা প্রচেষ্টা দেখা যায়। অদূর ভবিষ্যতে যদি সৌদি আরবেরও অডিও ফাঁস হয়, অবাক হব না।

Continue reading জেরুজালেম নিয়ে মিসরের লীক হওয়া অডিওর অন্তরালে

ইরানের আন্দোলন এবং আমাদের নৈতিক অবস্থান

আরব বসন্ত বলেন আর ইরানের আন্দোলনই বলেন, এগুলো ঠিক কতটুকু স্বতঃস্ফূর্ত, আর কতটুকু আমেরিকার এজেন্টদের দ্বারা পূর্ব পরিকল্পিত?

প্রতিটা আন্দোলনে পশ্চিমা রাষ্ট্র এবং মিডিয়ার ভূমিকা যে নির্লজ্জের মতো একপেশে, সেটা দিবালোকের মতো পরিষ্কার। ইরানের কয়েক কোটি জনগণের মধ্যে কয়েক হাজার, এমনকি কয়েক লাখ মানুষের আন্দোলন করাটাও খুব বেশি অস্বাভাবিক না। কিন্তু পশ্চিমা মিডিয়া সেটাকে এমনভাবে কভার করছে এবং উস্কানি দিচ্ছে, যেন ইরানের জনগণের কেউই তার সরকারের পক্ষে নাই।

Continue reading ইরানের আন্দোলন এবং আমাদের নৈতিক অবস্থান

হামাসের বিরুদ্ধে আইএসের যুদ্ধ: আসলে খারাপ হয়েছে, না ভালো?

আইএস হামাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছে  এক দিক থেকে চিন্তা করলে ব্যাপারটা ভালোই হয়েছে। কেন? লেট মি এক্সপ্লেইন।

অধিকাংশ দেশে আইএসের অপারেশনগুলোর ফলাফলগুলো কী হয়? তারা হামলা করে, দায় স্বীকার করে, সরকার/আমেরিকা পাল্টা অভিযান চালায়, মানুষের ধারণা পাকাপোক্ত হয় আমেরিকাই অভিযান চালানোর অযুহাত তৈরির জন্য আইএসকে দিয়ে হামলা করাচ্ছে।

Continue reading হামাসের বিরুদ্ধে আইএসের যুদ্ধ: আসলে খারাপ হয়েছে, না ভালো?

লিবিয়ার রাজনীতিতে ২০১৮ সালে কী ঘটবে?

আন্তর্জাতিক রাজনীতি নিয়ে কয়েকটা হাফ অনুবাদ টাইপ লেখা দিয়েছিলাম Roar বাংলাতে, কিন্তু নতুন বছরে লিবিয়ার রাজনীতিতে কী ঘটবে, সেটা নিয়ে লেখা হয়নি। লিবিয়ার ব্যাপারটা আসলে ভীষণ জটিল। ক্রমাগত অ্যালায়েন্স শিফটিংয়ের কারণে লিবিয়া, ইয়েমেন এবং সিরিয়ার রাজনীতি খুবই আনপ্রেডিক্ট্যাবল। তাই কী ঘটবে বলার আগে সাম্প্রতিক সময়ে কী ঘটছে, সেদিকটা একটু দেখি।

যেটা আশা করিনি, লিবিয়া নির্বাচনের দিকে হাঁটছে। তবে আশাবাদী হওয়ার খুব বেশি কারণ নাই। নির্বাচন তখনই ফলপ্রসু হয়, যখন একটা অনিশ্চয়তা থাকে – লড়াইটা প্রায় সমান সমান হয়। কিন্তু যদি নির্বাচনের আগেই বলে দেওয়া যায় কারা জিতবে, এবং ল্যান্ডস্লাইডে জিতবে, তাহলে সেই নির্বাচন শেষ পর্যন্ত বানচাল হয়ে যাওয়ার অথবা ব্যর্থ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। লিবিয়াতে সম্ভবত সেটাই হতে যাচ্ছে।

Continue reading লিবিয়ার রাজনীতিতে ২০১৮ সালে কী ঘটবে?

গাদ্দাফী এবং আরাফাত – এক কালের দুই বিপ্লবী

প্রথম জীবনে গাদ্দাফী ছিলেন বিপ্লবী চরিত্রের নেতা। তার মূলনীতিগুলোর মধ্যে অন্যতম ছিল আরব জাতীয়তাবাদ প্রতিষ্ঠা করা এবং ইসরায়েলকে উচ্ছেদ করা। লিবিয়াতে ক্ষমতায় আসার পরপরই গাদ্দাফী লিবিয়ার সম্পূর্ণ ইহুদী সম্প্রদায়কে বহিষ্কার করেছিলেন। অবশ্য এটা কতটুকু জাস্টিফাইড ছিল, সেই আলোচনায় এখানে গেলাম না।

Continue reading গাদ্দাফী এবং আরাফাত – এক কালের দুই বিপ্লবী

দোতলায় ল্যান্ডিং, মুখোমুখি ফ্ল্যাট, কথা হবে তো?

দেখলাম অস্থির সময়ের স্বস্তির গল্প সিরিজের নাটক “কথা হবে তো?” চমৎকার একটি নাটক। গল্পটি খুবই চেনা এবং সিম্পল। কিন্তু পরিচালকের নিপুণতায় সেটিই হয়ে উঠেছে হাজার নাটকের ভীড়ে একরাশ স্নিগ্ধতার পরশ বুলিয়ে দেওয়া ব্যতিক্রমধর্মী সুন্দর একটি নাটক।

কাহিনী বলব না, শুধু বলি মুখোমুখি দুটো ফ্ল্যাট, পাশাপাশি বসবাস, দেখা হয়, খবর শোনা হয়, কিন্তু কথা বলা হয় না। বিদায়ের সময় দোতলার ল্যান্ডিংয়ে দাঁড়িয়ে টুকটাক ভাঙ্গাভাঙ্গা কথা, এরপরই এতোদিনের ভুলের অবসান … শেষ দৃশ্যের কথপোকথের দৃশ্যটা দারুণ ছিল। কিছুটা আদনান আল রাজীবের সীলন টির বিজ্ঞাপনগুলোর কথা মনে করিয়ে দিচ্ছিল।

Continue reading দোতলায় ল্যান্ডিং, মুখোমুখি ফ্ল্যাট, কথা হবে তো?

মুগ্ধ হওয়ার মতো অসাধারণ কিছু লিবিয়ান চিত্রকর্ম

আব্দুর রাজ্জাক আল-রিয়ানী একজন লিবিয়ান চিত্রশিল্পী। সম্ভবত লিবিয়ার সেরা চিত্রশিল্পীদের মধ্যে একজন। অন্তত আমার কাছে তার আঁকা প্রতিটি ছবিই ‌অসাধারণ মনে হয়। ক্যানভাসের উপর তেল রঙে আঁকা তার একেকটি ছবিতে জীবন্ত হয়ে ফুটে ওঠে লিবিয়ার মানুষজন, ঘরবাড়ি এবং আসবাবপত্র।

আব্দুর রাজ্জাক আল-রিয়ানীর জন্ম ত্রিপলী, লিবিয়াতে। ১৯৯১ সালে ত্রিপলী ইউনিভার্সিটি (তৎকালীন আল-ফাতাহ ইউনিভার্সিটি) থেকে চারুকলারয় স্নাতক অর্জন করেন। এরপর ২০০৫ সালে ইতালির রোম ইউনিভার্সিটি অফ ফাইন আর্টস থেকে মাস্টার্স ডিগ্রী অর্জন করেন। বর্তমানে তিনি মিসরের আলেক্সান্দ্রিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ফাইন আর্টসের উপর পিএইচডি করছেন।  লিবিয়া ছাড়াও মাল্টা, ইতালি, সংযুক্ত আরব আমিরাত সহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে তার চিত্রকর্ম প্রদর্শিত হয়েছে।

Continue reading মুগ্ধ হওয়ার মতো অসাধারণ কিছু লিবিয়ান চিত্রকর্ম

যুদ্ধক্ষেত্র থেকে শান্তির বার্তা